chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

মরে যেতে চেয়েছিলেন দীপিকা পাডুকোন

‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’তে শেয়ার

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড তারকা দীপিকা পাডুকোনের জীবনে প্রেম এসেছিল। আবার সেটা ভেঙেও যায়। রণবীর কাপুরের সঙ্গে ব্রেকআপের ওই ধাক্কা সামলে নিতে হিমশিম খেতে হয়েছিল তাকে। যার ফলে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন দীপু।

২০১৪ সালের দিকে মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হন দীপিকা। সেই দুঃসময়ের কথা কখনো প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। অবশেষে সম্প্রতি অমিতাভ বচ্চনের ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ অনুষ্ঠানে এসে শেয়ার করলেন ওই দিনগুলোর অভিজ্ঞতা।

দীপিকা বলেন, ‘২০১৪ সাল নাগাদ আমার অবসাদ ধরা পড়ে। অবসাদের সময়কার কথা কেউই বলতে চান না। কারণ, অবসাদ কেমন হতে পারে, সে সম্পর্কে অনেকেরই বিশেষ জানাশোনা থাকে না। আমার মনে হয়, যদি আমি অবসাদের মতো অভিজ্ঞতা অনুভব করে থাকি, তাহলে আমার মতো আরও অনেকেরই তেমন অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমার জীবনের একটা লক্ষ্য রয়েছে। আমি যদি কোনো দিন কারো জীবন বাঁচাতে পারি, তাহলে সেই লক্ষ্য পূরণ হবে।’

অবসাদের সময়কার বর্ণনা দিয়ে দীপিকা বলেন, হঠাত্‍ আমার মধ্যে অদ্ভূত একটা অনুভূতি হতে থাকে। কেমন যেন খালি খালি অনুভব হতো। আমার কারো সঙ্গে কথা বলতে, দেখা করতে, এমনকি কাজ করতেও ইচ্ছে করত না। বাইরে যেতে ইচ্ছে করত না। জানি না বলাটা ঠিক হচ্ছে কিনা, আমার এমনও মনে হত যে, আমি আর বাঁচতে চাই না। কারণ বেঁচে থাকার কোনো কারণ বা প্রয়োজনই আমার মধ্যে কাজ করত না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেই সময়ে বেঙ্গালুরু থেকে মুম্বাইতে আমার মা-বাবা আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। যখন তারা চলে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে যাচ্ছেন, আমি তখন কাঁদতে শুরু করি। আমার মা বিষয়টা লক্ষ্য করেছিলেন। আমি সাধারণত কাঁদতে অভ্যস্ত নই। তাই আমি যখন কাঁদছি, তার মানে নিশ্চয়ই কোনো গোলমাল রয়েছে। আমি কাঁদছিলাম, যেন কোনো সাহায্য পাওয়ার জন্য। আমার মা সেটা বুঝতে পারেন। এরপরই মা আমাকে মনোবিদের কাছে নিয়ে যান। এবং অনেক মাস পরে আমি সম্পূর্ণ সুস্থ হই।

সেসব স্মৃতি ভুলে যাওয়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে দীপিকা বলেন, ‘মানসিক স্বাস্থ্য এমনই যে, কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তা ভুলে যাওয়া সম্ভব হয় না। যেন সেই সব স্মৃতিগুলোকে আমরা আগলে রেখেছি।’

প্রসঙ্গত, বর্তমানে দীপিকা পাডুকোন বিবাহিত। বলিউড আরেক রণবীর তথা রণবীর সিংয়ের সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন তিনি। ২০১৮ সালে বিয়ের পর থেকে এখনো অব্দি সুখেই সংসার করছেন তারা।

জেএইচ/চখ

এই বিভাগের আরও খবর
Loading...