chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

গরমে স্বস্তি তালের শাঁস

নিজস্ব প্রতিবেদক : তালের শাঁস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু একটি খাবার। এতে রয়েছে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। তালের নরম শাঁস খেতে কমবেশি সবাই পছন্দ করে। জ্যৈষ্ঠ মাসে তালের শাঁস খাওয়ার উপযোগী হওয়াতে চট্টগ্রামে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরুতেই গাছ থেকে তাল পেড়ে বাজারে বিক্রির ধুম পড়ে গেছে। ক্রেতারা তালের শাঁস কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন।

তাল বিক্রেতা আমজাদ আলী জানান, গ্রাম থেকে মালিকের তালগাছ থেকে ফলন কিনে এবং তাদের লোকজন দিয়ে গাছ থেকে ফল কেটে এনে বাজারে বিক্রি করছি। পাইকারী শত হিসেবে তাল ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি করছি।

গরমে স্বস্তি তালের শাঁস
মৌসুমে ফল রসালো তাল বিভিন্ন জেলা থেকে আসতে শুরু করেছে নগরীতে। রসালো এ ফলটি প্রতি বছরই এমন সময় বিশাল সংখ্যায় চোখে পড়ে নগরীর কদমতলীতে। এখান থেকে অনেক খুচরা বিক্রেতা রিকশাভ্যান বা সিএনজি করে যার যার এলাকায় নিয়ে যায় বিক্রির জন্য। কদমতলী ফ্লাইওভার এলাকা থেকে তোলা। আলোকচিত্রী এম ফয়সাল এলাহী

বিক্রেতারা জানান, তালগাছ থেকে ফল কেটে আনা একটি কষ্টকর বিষয়। কাটার জন্য অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দিয়ে কেটে আনতে হয়। একটি গাছে ৩০০ থেকে ৩৫০ ফল পাওয়া যায়। গাছ মালিককে শত হিসেবে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা করে দিতে হয়।

গরমে স্বস্তি তালের শাঁস
মৌসুমে ফল রসালো তাল বিভিন্ন জেলা থেকে আসতে শুরু করেছে নগরীতে। রসালো এ ফলটি প্রতি বছরই এমন সময় বিশাল সংখ্যায় চোখে পড়ে নগরীর কদমতলীতে। আলোকচিত্রী এম ফয়সাল এলাহী

তাল কাটার শ্রমিক ও গ্রাম থেকে শহরে আনা পর্যন্ত পরিবহন খরচ নিয়ে পিচ প্রতি ৫ থেকে ৮ টাকা খরচ হয়। গ্রামাঞ্চলে দিন দিন তাল গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অনেক তালগাছ মালিক পানি (কাঁচা) তাল হিসেবে বিক্রি না করে পাকার জন্য রাখেন। পরিবারের চাহিদা পূরণ করে পাকা তাল আশ-পাশের পরিবারে মধ্যে বিতরণ করে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভাদ্র মাসে পাকা তালের পিঠার এখনও কদর রয়েছে।

জানা গেছে, জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম দিকে বিক্রি শুরু হয় চলে পুরো এক মাস। শুরুতে দাম একটু চড়া থাকলেও ধীরে ধীরে কমে আসে। শুরুর দিকে স্বল্পআয়ের মানুষজন শাঁস না কিনলেও দাম কমার পর সব শ্রেণীর মানুষ তালের শাঁসের স্বাদ নিয়ে থাকেন। এক মাসের জন্য এ পেশার সাথে সম্পৃক্ত হয়ে শাঁস বিক্রি করেন বিক্রেতারা।

এসএএস/এএমএস/চখ

এই বিভাগের আরও খবর
Loading...