chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

আইন হাতে তুলে নেব না, আন্দোলন করব: হেফাজত মহাসচিব

ডেস্ক নিউজ: হেফাজতে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেছেন, আমাদের প্রত্যেকের ভেতরে জজবা আছে, ক্ষোভ থাকে। সেই ক্ষোভ প্রকাশ করার জন্য আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি দিতে পারি।

‘আল্লাহ সবাইকে শুভবুদ্ধি দান করুক। আমরা আইন হাতে তুলে নেব না— আন্দোলন করব, সরকারকে জানাব, সরকারকে বোঝাব।’

আজ রোববার রাজধানীর খিলগাঁওয়ে মাখজানুল উলুম মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

কক্সবাজারের পিএমখালী মাদরাসা, ফটিকছড়ির মাইজভান্ডার মাদরাসা ও কুমিল্লার কচুয়ায় মাদরাসায় হামলার প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

হেফাজত মহাসচিব বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য সুশৃঙ্খলভাবে আন্দোলন করা। কিন্তু এই যে মাদরাসার ওপরে হামলা, আলেম-ওলামাদের ওপরে হামলা করা হচ্ছে— এভাবে বার বার যদি আঘাত আসতে থাকে তাহলে ওলামায়ে কেরাম, ছাত্রসমাজ, হেফাজতে ইসলাম নাক-কান বন্ধ করে নীরবতার ভূমিকা পালন করতে পারবে না।

তিনি বলেন, ইসলামবিরোধী শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে আন্দোলন করার জন্য আল্লামা আহমদ শফী হেফাজতে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই সংগঠন সরকারবিরোধী কিংবা নির্বাচনমুখী কোনো সংগঠন নয়। আমরা সবসময় সরকারের আইন-কানুন মেনেই আন্দোলন করি।

‘কিন্তু চাঁদপুরের কচুয়া, কক্সবাজারের পিএমখালী, ফটিকছড়ির মাইজভান্ডার মাদরাসায় যে আক্রমণ হলো, এ কথা কেউ বলে না যে তারা কেন আইন হাতে তুলে নিল? আমরা সরকারকে জানাতে চাই, তারা কেন আইন হাতে তুলে নিল, তারা আইন হাতে তুলে নেওয়ার কে? এর ব্যবস্থা সরকারকে করতে হবে। আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’

তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি কওমি মাদরাসাগুলোর ক্ষতি সাধনের জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে; চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কওমি মাদরাসার উন্নতি কেন, তাদের প্রতি মানুষের আগ্রহ কেন, শ্রদ্ধাবোধ কেন? এটাকে কেন্দ্র করে কওমি মাদরাসার আলেম ও ছাত্রদের চারিত্রিক অভিযোগে অভিযুক্ত করে দেশের জনসাধারণ, মুসলমান দানশীল যারা মাদরাসাকে ভালোবাসে তাদের থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার একটা চক্রান্ত।

তিনি বলেন, দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোতে বছরে একবার সম্মেলন ওয়াজ মাহফিল করা হয়। এটার উদ্দেশ্য যারা দান করেন সেই সাধারণ জনগণও কিছু পাওয়ার হক রাখেন। সেজন্য মানুষের হেদায়েতের জন্য মাহফিলগুলো করা হয়। ইদানীং অনেক জায়গা থেকে দুঃসংবাদ আসছে যে ওয়াজ মাহফিল বন্ধ।

‘তারা তো কোরআন হাদিসের কথা বলে। সেটাকে যদি সরকারবিরোধী-রাষ্ট্রবিরোধী মনে করে তাহলে তো কিছু করার নেই। কিছু বক্তার নামের তালিকা করা হচ্ছে। কিন্তু কেন, কী কারণে করা হচ্ছে? যারা দোষী তাদের বক্তব্য ধরে সরকারের আইন-কানুন দিয়ে ব্যবস্থা নেন। কিন্তু ঢালাওভাবে ওয়াজ মাহফিল বন্ধ কেন?’

এমআই/চখ

এই বিভাগের আরও খবর
Loading...