২২৩ রানকেও মামুলি বানাল রাজস্থান

খেলা ডেস্ক: বর্তমানে টি-টোয়েন্টিতে কোনো বড় টার্গেটই যে নিরাপদ নয় সেটি আবারও প্রমাণ করল রাজস্থান রয়্যালস। আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয় পেয়েছে তারা।

মায়াঙ্ক আগারওয়ালের সেঞ্চুরি ও লোকেশ রাহুলের ঝড়ো ব্যাটে ২২৩ রানের চূড়ায় উঠেছিল কিংস ইলিভেন পাঞ্জাব। আর রেকর্ড ২২৩ রান তাড়া করতে নেমে ৩ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে ২২৬ রানে পৌঁছে যায় স্টিভেন স্মিথের দল।

এর আগে ২০০৮ সালে এই রাজস্থানই ২১৫ রান তাড়া করে জিতেছিল।

রান তাড়ায় নেমে স্টিভেন স্মিথের আগ্রাসী শুরুর পর সঞ্জু স্যামসন আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেন। চারে নেমে ব্যাটে বল লাগাতে না পারা রাহুল তেওয়াটিয়া মনে হচ্ছিল ম্যাচটা ডুবিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু ঘুরে দাঁড়িয়ে এক ওভারে ৫ ছয় মেরে তিনিই ঘুরিয়ে দেন খেলা। বার বার রঙ বদলানো ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পেয়ে যায় রাজস্থান রয়্যালস।

রাতের শিশির আর ছোট বাউন্ডারি মিলিয়ে ২২৪ রান করে জেতাটা অসম্ভব ছিল না। রান তাড়ায় নেমে দ্রুতই তা বুঝিয়ে দেন স্মিথ। প্রথম ওভার থেকেই ছুটে তার ব্যাট। অপর প্রান্তে জস বাটলার তড়িঘড়ি ফিরে গেলে ক্রিজে আসেন সঞ্জু স্যামসন।

দলকে জেতাতে ৪২ বলে ৪ চার ও ৭ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৮৫ রান করেন সঞ্জু, শুরুতে ভুগলেও ৩১ বল খেলে ৭ ছক্কায় ৫৩ রান করে আউট হন তেওয়াটিয়া। আর ২৭ বল খেলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৫০ রান করেন অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

শেষ ১৮ বলে জিততে ৫১ রান প্রয়োজন ছিল রাজস্থানের। এই অবস্থায় বল হাতে আসেন কটরেল, দিলেন ৩০ রান। তেওয়াটিয়া কটরেলের এই ওভারেই ৫ ছক্কা মেরে দেন। খেলা নিয়ে আসেন হাতের মুঠোয়।

শেষের ১২ বলে ২১ রানের টার্গেট দাঁড়ায় রাজস্থানের। ১৯তম ওভারে মোহাম্মদ শামির বলে সঞ্জুর বিদায় হলে মনে হচ্ছিল ম্যাচটা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ২ ছক্কা হাঁকিয়ে জোফরা আর্চার দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে আসেন। আর টম কুরান নেমে ৪ হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা পাঞ্জাব ওপেনাররা দলকে এনে দেন উড়ন্ত সূচনা। চার-ছয়ে মাতোয়ারা করে ১৮৩ রানের জুটি গড়েন তারা। ৫০ বল খেলে ১০ চার ও ৭ ছক্কায় ১০৬ রান করে আউট হন মায়াঙ্ক আগারওয়াল।

লোকেশ রাহুলের ব্যাট থেকে আসে ৫৪ বলে ৬৯ রান। পুরান নেমে করেন ৮ বলে ২৫। তাতে বড় সংগ্রহের ভিত পায় পাঞ্জাব।

ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন সঞ্জু স্যামসন।

এমআই/

এই বিভাগের আরও খবর
Loading...