নোয়াখালী এয়ারস্ট্রিপ কে পূর্নাঙ্গ এয়ারপোর্টে রুপান্তর করতে যাচ্ছে সরকার

ডেস্ক নিউজ : নোয়াখালী জেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ওয়াপদা বাজারের পাশেই এই এয়ারস্ট্রিপ অবস্থিত। স্বাধীনতার আগ থেকেই এই রানওয়ে ব্যাবহার করে সেখানকার ফসলী জমিতে কীটনাশক ছেটানো হতো। কিন্তু যথাযথ পরিচর্যা না থাকায় একসময় তা পরিত্যক্ত হয়ে যায়।

এই এয়ারস্ট্রিপ মাত্র ৩০ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত। সাধারণত এয়ারপোর্ট এত কম জায়গা নিয়ে হয়না।কিন্তু স্বাধীনতার আগে এইটা তৈরীর একমাত্র উদ্দেশ্য ছিলো জমিতে কীটনাশক ছেটানোর জন্য ব্যাবহার। সাধারণত স্বল্প পরিসরে বিমান ওঠানামার জন্য রেনওয়ে গুলো কে এয়ারস্ট্রিপ বলা হয়।

২০১৭ সালে এই এয়ারস্ট্রিপ কে পূর্নাঙ্গ পরিসরে ব্যাবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সকল প্রতিকূলতা কটিয়ে হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই এর নির্মান কাজ শুরু হতে পারে।

আন্তর্জাতিক মানের এয়ারপোর্ট করলে এখানে নতুন টার্মিনাল নির্মান করা হবে। অধিগ্রহণ হতে পারে আরও কয়েক একর জায়গা। সময়ের বিবর্তনে এখন এই এয়ারপোর্ট নির্মান দরকারী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মূলত ফেনী – নোয়াখালীর লোকজন অনেকটা বিদেশমূখী। ফেনী-নোয়াখালী-লক্ষীপুর-চাঁদপুরের লোকজন বিদেশ ফেরত হতে হলেও এখনও ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে আসা লাগে। কিন্তু, নোয়াখালী পূর্নাঙ্গ বিমানবন্দর হয়ে গেলে এতদূর আসা লাগবে না।

দ্বিতীয়ত নোয়াখালীর স্বর্নদ্বীপেই এখন সেনাবাহিনীর প্রধান ট্রেইনিং সেন্টার। পাশাপাশি ভাসানচরেই স্থানান্তর করা হবে রোহিঙ্গাদের। বিভিন্ন এনজিওর কর্মীদের সহসাই আসা লাগে সেখানে। বিমানবন্দর হয়ে গেলে স্বল্প সময়েই কক্সবাজার থেকে তারা এইখানে যাতায়াত করতে পারবে।

সমু্দ্র পাড়ের নোয়াখালী এক সম্ভাবনাময় জায়গা। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোব “নিঝুম দ্বীপ ” নোয়াখালীতেই অবস্থিত । হাতেগোনা কিছু দেশী পর্যটক ভিড় করলেও উন্নত যোগাযোগের অভাবে বিদেশি পর্যটকরা আসতে পারে না। বিমানবন্দর হয়ে গেলে সেই পথ আরও সুগম হবে।

বিঃদ্রঃ নোয়াখালীর পাশের জেলা ফেনীতে ও আরেকটি বিমানবন্দর রয়েছে। সেটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে বানানো। পর্যাপ্ত পরিচর্যা না থাকায় সেটি এখন অধিকাংশই দখলে চলে গেছে।

তাছাড়া ইন্ডিয়ার বর্ডার নিকটবর্তী হওয়ার সেটা এখন পুরোদমে নির্মান করারও কোনও চান্স নেই। তবে ফেনী-মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে নতুন করে আরও একটি বিমান বন্দর হওয়ার কথা রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
Loading...