চট্টগ্রামের ‘হালদা নদী’ জাতীয় নদীর স্বীকৃতি পাওয়ার উপযুক্ত 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে হালদা নদীকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রলালয় কর্তৃক ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১১টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ।

অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মো. খলিলুর রহমান।

অন্যানদের মধ্যে উপিস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সায়েদুল আরেফিন, বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন, রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ, মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না মাহমুদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক ড. মনজুরুল কিবরিয়া, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মো. মোয়াজ্জম হোসাইন, মোহাম্মদ নুরুল্লাহ নূরী, প্রফেসর ড. মো. আলী আজাদী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, চট্টগ্রাম চেম্বারের উপসচিব মো. আলী আজগর, জেলা সমাজসেবা অফিসের ডিডি মো. শহীদুল ইসলাম, হাটহাজারী থানার ওসি মাসুদ আলম, রাউজান থারার ওসি আবদুল্লাহ আল হারুন প্রমুখ।

জানা গেছে, হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করে সেখানে নদীর তীরবর্তী এলাকায় একটি নান্দনিক তোরণ ও নামফলক স্থাপন করবে মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট।

১৯৭২ সালের ৪ জুলাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ’। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই মৎস্য অধিদফতর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সম্পর্কে গবেষণাধর্মী কাজ, ইলিশ সম্পদের স্থায়িত্বশীল আহরণ, মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রফতানি বাড়ানো এবং মান উন্নয়নে কাজ করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

হালদা নদীর উৎস, সম্পদ, ঐতিহ্য এবং অর্থনৈতিক অবদান বিবেচনা করলে এ নদী বাংলাদেশের জাতীয় নদীর স্বীকৃতি পাওয়ার উপযুক্ত। ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হলে হালদা নদী নতুন প্রাণ ফিরে পাবে এবং মৎস্য সম্পদসহ জীব বৈচিত্র্য রক্ষা পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এসএএস/এএমএস

এই বিভাগের আরও খবর
Loading...