স্বপ্নের ফাইনালে মুখোমুখি বায়ার্ন-পিএসজি

ডেস্ক নিউজ: কি ঘটতে যাচ্ছে আজ রাতে?  বায়ার্ন মিউনিখের ষষ্ঠ শিরোপা নাকি পিএসজি রূপকথা। পরিসংখ্যানে বায়ার্ন ঢের এগিয়ে। দলটির আক্রমণে রয়েছে মুলার-লেভানডস্কি-জিনেব্রির মত গতিময় তারকা। তবে পিছিয়ে নেই পিএসজিও বায়ার্নের গতির আক্রমণ রুখে দিতে দলটির রয়েছে শক্তিশালী রক্ষণ। পাশাপাশি বায়ার্নের রক্ষণে আঘাত হানতে আছে নেইমার-এমবাপ্পে-ডি মারিয়ার মত তারকা লিসবনে ম্যাচটি শুরু হবে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়।

উত্তাপ, উৎকণ্ঠা, রোমাঞ্চ। করোনা মহামারীর মধ্যেই একটা ম্যাচ। যার জন্য এত অপেক্ষা এত আয়োজন। যার জন্য নির্ঘুম রাত, স্বপ্নীল প্রতীক্ষা।

পিএসজি নাকি বায়ার্ন ? ফরাসি বিপ্লব নাকি জার্মান পুনর্জাগরণ। সুপার সানডেতে মঞ্চায়নের অপেক্ষায়, প্রস্তুত লিসবন। স্তাদিও দ্যা লুইসের ৬৬ হাজার ধারণক্ষমতার সিটগুলো হয়তো ফাঁকা পড়ে রইবে। তবে উন্মাদনায় ভাটা পড়বে না, তা নিশ্চিত।

নেইমার-এমবাপ্পে-ডি মারিয়া। এই ত্রয়ীর চোখেই এখন স্বপ্ন দেখে গোটা প্যারিস। স্বপ্নটা ইউরোপ সেরার মুকুটটা বাগিয়ে নেয়ার। উড়তে থাকা বায়ার্নের টুটি চেপে ধরার।

ফুল ফিট স্কোয়াডের পরেও, কিছুটা কৌশলগত ফুটবল খেলতে চায় দ্যা প্যারিসিয়ান’রা। স্বপ্নীল ফাইনালে কোচ থমাস টাচেলের তুরুপের তাস হতে পারেন মারকুইন্স।

পিএসজির কোচ থমাস টাচেল বলেন, ‘রোমাঞ্চিত তো অবশ্যই। ছেলেদের বলেছি এরই মধ্যে তারা ইতিহাস গড়েছে, তাই চাপ নেয়ার কোন কারণ নেই। শিরোপা জয়ে’ আমাদের চেষ্টার’ কোন ত্রুটি থাকবে না।’

বিপরীতে উত্তেজনা চেপে রেখে কিছুটা স্থির বাভারিয়ান শিবির। মুলার, গ্যানাব্রি, লেওয়ানডসকি, কৌতিনোরা আছেন খুনে মেজাজে। ঝটিকা আক্রমণে নস্যাৎ করে দিতে প্রস্তুত’ প্রতিপক্ষের সব পরিকল্পনা।

বায়ার্ন মিউনিখ কোচ হ্যান্সি ফ্লিক বলেন,’ম্যাচটা কঠিন হবে। তবে স্বপ্ন পূরণের এতো কাছে এসে আমরা খালি হাতে ফিরতে চাই না। করোনাকালে আমাদের সমর্থকদের জন্য ওই ট্রফিটা জার্মানিতে নিয়ে যেতে চাই।’

পিএসজির যাত্রা নাকি বায়ার্নের হেক্সা। কে হাসবে শেষ হাসি। লাল নাকি নীল! কোন ঢেউয়ে ভাসবে বিশ্ব। কোটি টাকার এই উত্তরের জন্য আর একটু অপেক্ষা!

এই বিভাগের আরও খবর
Loading...