ছয় মাসে বিশ্বের ৫ লাখ ৭ হাজার মানুষের প্রাণ কেড়েছে করোনা

মহামারি করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) উৎপত্তির ছয় মাস পূর্ণ হলো আজ। বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালানো ভাইরাসটি প্রতিরোধে এখনো হিমশিম খাচ্ছে পুরো বিশ্ব।

২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহান শহরে প্রথম করোনার প্রকোপ দেখা দেয়। যা একে একে বিশ্বের দুইশ’র বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। পরে অবস্থা চরম সংকটে পৌঁছলে গত ১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করা হয়।

গত ২৪ ঘন্টায়ও ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের ১ লাখ ৬০ হাজার ৯৮৫ জন মানুষ। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪ লাখ ২ হাজার ৯০৬ জন।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকাল পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে করোনায় প্রাণ গেছে আরও ৩ হাজার ৪১৫ জনের। এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৭ হাজার ৫২৮ জনে।

শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই আক্রান্তের সংখ্যা ২৬ লাখ ৮১ হাজার ৮১১ জনে দাঁড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৮৩ জনের।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংক্রমণের দেশ ব্রাজিলে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৩ লাখ ৭০ হাজার ৪৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ৫৮ হাজার ৩৮৫ জনের।

করোনা আক্রান্তের তালিকায় তিনে থাকা রাশিয়ায় সংক্রমিতের সংখ্যা ৬ লাখ ৪১ হাজার অতিক্রম করেছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়।

ভারতে সংক্রমণ সাড়ে ৫ লাখ ছাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত সেখানে ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৬ জন মানুষ করোনার শিকার হয়েছেন। প্রাণহানি ঘটেছে ১৬ হাজার ৯০৪ জনের।

যুক্তরাজ্যে সংক্রমণ ৩ লাখ ১২ হাজার। মৃতের সংখ্যা ৪৩ হাজার ৫৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

লাতিন আমেরিকার দেশ পেরুতে সংক্রমণ ২ লাখ ৮২ হাজারের বেশি। মৃত্যু হয়েছে সেখানে ৯ হাজার ৫০৪ জনের।

চিলিতে সংক্রমণ পৌনে ৩ লাখ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে প্রাণ গেছে ৫ হাজার ৫৭৫ জনের।

ইউরোপে প্রথম আঘাত হানা ইতালিতে ২ লাখ ৪০ হাজার ৪৩৬ জন মানুষ করোনার শিকার। এর মধ্যে পৃথিবী ছেড়েছেন ৩৪ হাজার ৭৪৪ জন মানুষ।

ইরানে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ২৫ হাজারের বেশি। প্রাণহানি ঘটেছে ১০ হাজার ৬৭০ জনের।

মেক্সিকোতে সংক্রমণ ২ লাখ ২১ হাজার ছুঁই ছুঁই। প্রাণ গেছে ২৭ হাজারের বেশি মানুষের।

পাকিস্তানে করোনার শিকার ২ লাখ ৬ হাজার ৫১২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ১৬৭ জনের।

বাংলাদেশে গতকাল সোমবার পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪১ হাজার ৮০১ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ১ হাজার ৭৮৩ জনের। আর সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৭৮০ জন মানুষ।

Loading...