চট্টগ্রামে একদিনে সর্বোচ্চ ৩৪৬ করোনা রোগী শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে একদিনে ৯৯৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে রেকর্ড ৩৪৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২৭৪ জন মহানগরীর ও ৭২ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড এটি।

এ নিয়ে চট্টগ্রামে ৮ হাজার ৩৫ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৫১৫ জন মহানগরীর ও ২ হাজার ৫২০ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় চট্টগ্রাম উপজেলা পর্যায়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন মোট ১৭১ জন। এর মধ্যে ১৩১ জন মহানগরীর ও ৪০ জন উপজেলার বাসিন্দা।
সোমবার (২৯ জুন) সকালে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, রোববার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৬৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে মহানগরীর ২৫ জন ও বিভিন্ন উপজেলার ৩১ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।

ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডিতে ১০১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪ জনের দেহে করোনার জীবাণু পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১২ জন মহানগরীর ও ২ জন উপজেলা পর্যায়ের বাসিন্দা।
এছাড়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ল্যাবে রোববার ১১২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে মহানগরীর ৪৫ জনের করোনা মিলেছে।

এদিকে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটির (সিভাসু) ল্যাবে রোববার ১৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে চট্টগ্রামের ২৬ জনের করোনা মিলেছে। এর মধ্যে ৩ জন মহানগরীর ও ২৩ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪ জনের দেহে করোনার জীবাণু মিলেছে।

বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১১০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে মহানগরীর ২৩ জন ও উপজেলার ১ জনের করোনা পাওয়া গেছে।

শেভরণ ল্যাবে গত দুইদিনের ফলাফল আজকে পাওয়া গেছে। শনিবার ২১৮ জনের ও রোববার ১৩৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৭৭ জনের করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছেন শেভরণ। আক্রান্তদের মধ্যে ১৬৬ জন মহানগরীর ও ১১ জন উপজেলার বাসিন্দা।

উপজেলা পর্যায়ে নতুন শনাক্ত ৭২ জনের মধ্যে লোহাগাড়ার ১, সাতকানিয়ার ৫,৭, চন্দনাইশের ৪ বাঁশখালীর ৩, আনোয়ারার, পটিয়ার ৫, বোয়ালখালীর ১, রাঙ্গুনিয়ার ১, ফটিকছড়িতে ১৩, হাটহাজারীতে ১৯, মিরসরাইয়ের ৩ ও সীতাকুণ্ডের ১০ জন আছেন।

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘন্টায় ৩২ জন সুস্থ হয়েছেন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন মোট ৯৬৫ জন করোনা রোগী।

এসএএস/

এই বিভাগের আরও খবর
Loading...