থামছে না করোনার তাণ্ডব, বিশ্বে আরও ৭ হাজার মানুষের প্রাণহানি

বিশ্বজুড়ে করোনার তাণ্ডব কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে (কোভিড-১৯) বিশ্বের আরও ৭ হাজার ২৯ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৯০ হাজার ৯৮৮ জনে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৭১ জন মানুষ। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ৯৭ লাখ ২ হাজার ১৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

তবে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন বিশ্বের প্রায় সাড়ে ৫২ লাখ মানুষ।

শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ লাখ ৪ হাজার ৫৮৮ জনে। প্রাণহানি ঘটেছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৮০ জনের।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংক্রমণের দেশ ব্রাজিলে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১২ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। আর গত একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানির রেকর্ডে মৃতের সংখ্যা ৫৫ হাজার ৫৪ জনে ঠেকেছে।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় তিনে থাকা রাশিয়ায় সংক্রমিতের সংখ্যা ৬ লাখ ১৪ হাজার ছুঁই ছুঁই। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৬০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়।

সংক্রমণে চারে থাকা ভারতে করোনায় আক্রান্ত ৪ লাখ প্রায় ৭১ হাজার। প্রাণহানি ঘটেছে ১৫ হাজার ৩০৮ জনের।

যুক্তরাজ্যে সংক্রমণ ৩ লাখ ৮ হাজার ছুঁই ছুঁই। মৃতের সংখ্যা ৪৩ হাজার ২৩০ জনে দাঁড়িয়েছে।

স্পেনে প্রাণহানি বেড়ে ২৮ হাজার ৩৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্ত ২ লাখ ৯৪ হাজার ৫৬৬ জন মানুষ।

লাতিন আমেরিকার দেশ পেরুতে সংক্রমণ ২ লাখ ৬৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে সেখানে ৮ হাজার ৭৬১ জনের।

চিলিতে করোনায় আক্রান্ত ২ লাখ ৫৯ হাজারের বেশি। এর মধ্যে প্রাণ গেছে ৪ হাজার ৯০৩ জনের।

ইউরোপে প্রথম আঘাত হানা ইতালিতে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭০৬ জন মানুষ করোনার শিকার। এর মধ্যে পৃথিবী ছেড়েছেন ৩৪ হাজার ৬৭৮ জন মানুষ।

ইরানে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ১৫ হাজার অতিক্রম করেছে। প্রাণহানি ১০ হাজার ছাড়িয়েছে।

মেক্সিকোয় প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের ঘটনা। ইতিমধ্যেই সেখানে সংক্রমণ ২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। প্রাণ গেছে ২৫ হাজারের বেশি মানুষের।

পাকিস্তানে আক্রান্ত প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার ছুঁই ছুঁই। মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৯০৩ জনের।

বাংলাদেশে গতকাল বুধবার পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ৬০৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ১ হাজার ৬২১ জনের। আর সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৫১ হাজার ৪৯৫ জন মানুষ।

Loading...